উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বড় প্রস্তুতি, ভোট হতে পারে অক্টোবর থেকে
দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নতুন করে তোড়জোড় শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন শুরু হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদ ও নির্বাচনের উপযোগী এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধির খসড়াও তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রস্তাবিত বিধিমালায় পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখা, প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যয় নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনে জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তির বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে।
ইসি সূত্রে আরও জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন পর্যায়ক্রমে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। একটি পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচন শুরু হওয়ার পর প্রায় ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
তবে এখনো প্রতিটি উপজেলার ও ইউনিয়নের ভোটের চূড়ান্ত তারিখ ও পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা হয়নি। তাই নির্দিষ্ট ভোটের দিন বা মনোনয়ন জমার সময় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করাই ভালো।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আপনার ইউনিয়ন বা উপজেলায় নির্বাচন হলে কাকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান? নাম ও মতামত কমেন্টে জানান।