ব্রেকিং নিউজ: আগামী চক্রবর্তী ও তাঁর মায়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার দাবি, ফরেনসিক রিপোর্টে ভিন্ন তথ্য
রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় নিহত আগামী চক্রবর্তী ও তাঁর মা প্রীতিলতা চক্রবর্তীর মরদেহ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মর্গের এক ডোমের বক্তব্যে তাঁদের শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার দাবি করা হলেও, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও ফরেনসিক পরীক্ষার তথ্য সেই দাবিকে সমর্থন করছে না।
রংপুরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে আয়ুসকে হত্যার ঘটনায় ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের এক ডোম গণমাধ্যমকে দাবি করেন, আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের আলামত তিনি দেখতে পেয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, তাঁর মা প্রীতিলতার শরীরেও একই ধরনের আলামত ও বীর্যের উপস্থিতি ছিল। এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, ফরেনসিক পরীক্ষায় মা ও মেয়ের শরীরে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও আগে জানানো হয়েছিল, তাঁদের শরীরে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী ডোমের দাবি এবং ফরেনসিক পরীক্ষার ফলের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে” বলে চূড়ান্তভাবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
এদিকে চার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি কাজ করছে। আটক দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ ঘটনার পেছনের কারণ ও হত্যাকাণ্ডের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সুতরাং, আপডেট তথ্য হলো—ধর্ষণের আলামত পাওয়ার দাবি উঠলেও ফরেনসিক পরীক্ষার ফল অনুযায়ী তা প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো অনুমানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রকাশ না করাই উচিত।