সাত মেয়ের বাবা হয়েও তার মন ভরে নি এখন আবার তিনটি জমজ মেয়ে হয়েছে তবুও অনেক খুশি… See more

সাত মেয়ের বাবা হয়েও মন ভরেনি, এবার জন্ম নিল আরও তিন জমজ কন্যা—তবুও আনন্দে ভাসছে পরিবার

অনেকের কাছে সন্তানের সংখ্যা বা ছেলে-মেয়ের পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, একজন বাবার কাছে তার প্রতিটি সন্তানই সমান আদরের। এমনই এক পরিবারের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে সাত কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি তাদের পরিবারে আরও তিনটি জমজ কন্যাসন্তানের আগমন ঘটেছে। একসঙ্গে তিন নবজাতক কন্যার জন্মে পরিবারে নেমে এসেছে আনন্দের বন্যা।

অনেকে ধারণা করেছিলেন, এতগুলো কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার কারণে হয়তো তিনি হতাশ হবেন। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। নবজাতক তিন মেয়েকে কোলে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, সন্তান আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নিয়ামত, সেখানে ছেলে-মেয়ের কোনো ভেদাভেদ নেই।

তিনি বলেন, “আমার কাছে প্রতিটি সন্তানই আশীর্বাদ। ওরা সুস্থ আছে, এটাই আমার সবচেয়ে বড় সুখ। ছেলে না হওয়ার কোনো আফসোস নেই। আমি আমার মেয়েদের নিয়েই গর্বিত।”

পরিবারের সদস্যরাও নবজাতকদের আগমনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেশীদের অনেকে জানান, সন্তানদের প্রতি বাবার ভালোবাসা ও ইতিবাচক মনোভাব তাদের মুগ্ধ করেছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, এখনও অনেক পরিবারে ছেলে সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ দেখা যায়। তবে এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে, সন্তান ছেলে না মেয়ে—তার চেয়ে বড় বিষয় হলো তাদের সুস্থভাবে মানুষ করে তোলা এবং সঠিক শিক্ষা ও মূল্যবোধে গড়ে তোলা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন বাবার মুখে এমন ইতিবাচক কথা সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। কারণ কন্যাসন্তান কোনো বোঝা নয়, বরং তারাও একদিন পরিবারের গর্ব ও সমাজের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

সন্তান মানেই আনন্দ, সন্তান মানেই ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসার কাছে ছেলে-মেয়ের পার্থক্য যেন সত্যিই হার মেনে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *