এদেশে মেয়ের বাপদের কপালে কী আসলেই শুধু দুঃ”খ থাকে?
প্রবাসী চাচা তার আদরের মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলো এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের কাছে। ছেলে বিয়ের আগে তার মামার জুতার দোকানে কাজ করত। প্রস্তাব আসছিলো ছেলের কাছ থেকেই। বিয়ের দিন মেয়েকে দেয়া হয় এক ভরী স্বর্ণের চেইন‚ জামাইসহ তার ৪ বোনকে দেয়া হয় ৫টি স্বর্ণের আংটি‚ সাথে ২ লক্ষ নগদ টাকা। ভোলার চরফ্যাশনে এই দম্পতির ভালোই কিছুদিন সংসার চলছিলো। ছেলেকে শশুরের অর্থায়নে দিয়ে দেওয়া হয় আলাদা মালিকানাধীন দোকান “আধুনিক ফ্যাশন।”
মেয়ের সুখের জন্য প্রবাসী বাবা যা চাইছে সবই দিয়েছে। সবকিছু প্রবাসী শশুরের কাছ থেকে আদায় করে ছেলেটা যখন ভালো অবস্থানে আসে তখনি শুরু করে দেয় মেয়েটার সাথে বা*জে ব্যবহার। উঠতে বসতে মেয়েকে নি-র্যা-ত-ন করে। প”রো”কিয়ার অপবাদও দেওয়া হইছে মেয়েটার উপর। প্রবাস থেকে রীতিমতো মেয়ের কা*ন্না*কা*টি দেখে মধ্যবয়স্ক বাবা বাকরু”দ্ধ। যার জন্য এতকিছু করলো‚ সেই ছেলেই তার আদরের মেয়েকে এভাবে কাঁ”দা”চ্ছে। সহ্য করার মত না‚ তিনিও ফোনে কা*ন্না করতেন। কিছুদিন যেতেই ছেলেটা মেয়েকে গোপনে তা*লা*ক দিয়ে নতুন করে বউ নিয়ে বাড়ি চলে এসেছে।
সে বিয়েও করছে সুন্দরী‚ ভালো পরিবারে। কারন সে এখন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। অথচ যে শশুরের ক•ষ্টের টাকায় আজ সে ব্যবসায়ী‚ সেই শশুরকে কাঁ*দা*চ্ছে দূর প্রবাসে। একটা আদরের মেয়ের চোখের পানি কোনো বাবা সহ্য করতে পারেনা। এইজন্যই বোধহয় আমাদের সমাজে মেয়ে জন্ম নিলে পরিবারের হাসি হারিয়ে যায় প্রায়ই। মেয়ের বাপ হওয়াটা এই সমাজে আসলেই চ্যালেঞ্জিং।