ছোট্ট শিশু রাসিমা। বয়স মাত্র ১১ বছর। ক্লাসের বই, স্কুলের বন্ধু, খেলাধুলা আর হাজারো ছোট ছোট স্বপ্ন নিয়েই কেটে যাচ্ছিল তার জীবন। কিন্তু হঠাৎ ঘটে যাওয়া এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় থেমে গেল সবকিছু।
যে বয়সে একটি শিশুর হাসিখুশি থাকার কথা, ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার কথা— সেই বয়সেই তাকে হারানোর কষ্ট আজ পুরো এলাকাকে কাঁদাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে তাদের আদরের সন্তান আর কখনও ফিরে আসবে না।
স্থানীয়রা জানান, রাসিমা ছিল খুবই শান্ত, ভদ্র ও হাসিখুশি স্বভাবের একটি মেয়ে। স্কুলে সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতো, আর পড়াশোনাতেও ছিল মনোযোগী। তাই তার এমন করুণ পরিণতি কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
ঘটনার পর স্কুলের শিক্ষক ও সহপাঠীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তার খালি বেঞ্চটি এখন শুধু স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অসংখ্য মানুষ শোক প্রকাশ করছেন এবং লিখছেন, “এমন মৃত্যু যেন আর কোনো শিশুর জীবনে না আসে।”
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসন— সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। কারণ একটি শিশুর নিরাপদ শৈশব শুধু পরিবারের নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব।
ছোট্ট রাসিমার অসময়ে চলে যাওয়া আজ হাজারো মানুষের চোখে জল এনে দিয়েছে। 😢