অবশেষে জানা গেলো শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে…see more

অবশেষে জানা গেলো শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে… ফেরার বিষয়ে যা বললেন তিনি

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান। তবে কবে, কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি দেশে ফিরবেন—সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে ফেরার বিষয়টি শুধু ‘কখন’ নয়, বরং ‘কীভাবে’—এটিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশে ফিরলে কারাবাসসহ আইনি পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে এরই মধ্যে দাবি করা হচ্ছে, শেখ হাসিনা নাকি বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন বা তার ফেরার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এ ধরনের দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনগুলোতেও তাকে ভারতে অবস্থানরত হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিসেম্বরের মধ্যে ফেরার কথা কেন আলোচনায়?

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে। দেশে ফিরে তাকে গ্রেপ্তার বা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হতে পারে—এমন সম্ভাবনার কথাও তিনি জানেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে চলা বিচারপ্রক্রিয়া ও রায় নিয়ে তিনি ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সরকার শুধু তার স্বেচ্ছায় ফেরার অপেক্ষায় নেই; আইনগত ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকারের অবস্থান কী?

সাম্প্রতিক সময়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

এর ফলে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের ঘোষণাকে ঘিরে এখন মূল প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—তিনি কি নিজ উদ্যোগে দেশে ফিরবেন, নাকি তাকে প্রত্যর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া এগোবে?

দেশে ফিরলে কী হতে পারে?

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, আইনি দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। শেখ হাসিনা ওই বিচারপ্রক্রিয়া ও রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তাই তিনি দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধে থাকা আইনি প্রক্রিয়া কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশে ফেরার বাস্তব প্রক্রিয়া, গ্রেপ্তার, আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম এবং অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ কীভাবে হবে—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

তাহলে কি শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না?

এমন কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত বা তথ্য বর্তমানে নেই। বরং সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা নিজেই ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। একই সময়ে বাংলাদেশ সরকারও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না’—এমন দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। আবার ‘তিনি ইতোমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন’—এমন দাবিরও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষয়টি গুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *