নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন ভালোবেসে সংসার শুরু করেছিলেন উম্মে হাবিবা মিম। স্বপ্ন ছিল ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে সুখের জীবন গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন তিনি।
বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামীর সাথে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ভয়াবহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন মিম। এরপর শুরু হয় একের পর এক শারীরিক জটিলতা। রক্তবমি, নাক, চোখ ও কান দিয়ে অনবরত রক্তক্ষরণ। চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি বিরল ধরনের ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।
দীর্ঘদিন নিউরোসাইন্স ও পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আইসিইউতেও থাকতে হয়েছে কয়েকদিন। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে যান এবং বিচ্ছেদের মাত্র ১৮ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার পুটিপাড়া গ্রামের মেয়ে উম্মে হাবিবা মিমের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। অটোমেকানিক্স বাবা হাবিবুর রহমানের পক্ষে এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা অসম্ভব। তাই অসহায় পরিবারটি দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
মিমের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,
“আমার মেয়েটাকে সবাই দোয়া করবেন। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, অতটুকু দিয়েই সহযোগিতা করবেন। ছোট-বড় সবার কাছে আমি ভিক্ষা চাই, আমার মেয়েটাকে বাঁচান।”
মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার সামান্য সহযোগিতাই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একটি তরুণ প্রাণের হাসি।