সৌদি আরব-এ পা রাখার সময় রুমানার চোখজুড়ে ছিল অসংখ্য স্বপ্ন। পরিবারের অভাব দূর করা, ছোট ভাইবোনদের মুখে হাসি ফোটানো আর মায়ের কষ্ট কমানোর আশাতেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিল সে।
বিদায়ের দিন সবাইকে বলেছিল, “কিছুদিন কষ্ট করবো, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।” কিন্তু সেই স্বপ্নই ধীরে ধীরে পরিণত হয় এক ভয়াবহ বাস্তবতায়।
পরিবারের অভিযোগ, বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই রুমানার সঙ্গে যোগাযোগ কমে যায়। মাঝেমধ্যে ফোনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের কষ্টের কথা বললেও সবকিছু খুলে বলতে পারত না সে। এরপর হঠাৎ করেই আসে অসুস্থতার খবর।
কয়েকদিন পর দেশে পৌঁছে এক হৃদয়বিদারক সংবাদ। পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া।
এ ঘটনায় প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা ও বিদেশে নারীকর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিদেশে যাওয়ার আগে যথাযথ যাচাই ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।