এই মহিলা গ্রাম থেকে ঢাকায় আসছিল গার্মেন্টসে কাজ করতে। যা বেতন পাইতো, তাতে রুম ভাড়া দিয়ে খেয়ে-পরে চলাই কঠিন ছিলো। একদিন নিজের সমস্যার কথা তার অফিসের এই ভাইকে জানালেন।
ভাইও মহৎ মানুষ! বললেন, “তোমারও যেহেতু চলতে কষ্ট, আর আমারও রান্না করে খেতে কষ্ট। চলো দুজন একসাথে বাসা নিয়ে থাকি!”
মহিলাও নিরুপায়, প্রস্তাবে রাজি। ব্যাস, শুরু হয়ে গেলো গরিবের লিভ-টুগেদার!
প্রায় দুই বছর স্বামী-স্ত্রীর মতোই একসাথে থাকলেন তারা।
ঝামেলা বাঁধলো যখন ভাই সাহেব রান্নার দোষ ধরা শুরু করলেন। কোনোদিন লবণ কম, কোনোদিন ঝাল বেশি! একদিন রান্না নিয়ে তুমুল ঝগড়ার একপর্যায়ে মহিলা রেগে বললেন, “আমি কি তোর ঘরের বউ, যে আমার সাথে ঝগড়া করস?”
কথাটা কোনোভাবে বাড়িওয়ালার কানে চলে গেলো! এরপর দুজনেই ক-ট। বাড়িওয়ালা আর এলাকাবাসী মিলে শেষমেশ তাদের বিয়ে পড়িয়েই ছাড়লো!
তরকারিটা একটু খিচ খাইয়া হজম করে নিলে তো সুখের সংসারে বাইরের মানুষ ঢুকতো না!
শিক্ষা: বউয়ের রান্নায় লবণ কম-বেশি হলে চুপ থাকুন। জীবন অনেক শান্তিতে কাটবে!